হোমপেজ শেয়ার বাজার

শেয়ার বাজার

ব্যাপক দরপতনঃ সোমবার লেনদেন বয়কটের ঘোষণা

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর: গত সপ্তাহের শেষ দু’দিনের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে আবারো ব্যাপক দরপতন হয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। রোববার ২৩১ পয়েন্ট নেমেছে সাধারণ সূচক। দুই কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও সপ্তাহ শেষে সাধারণ সূচক ২৩৬ পয়েন্ট কমেছিল।

 

বড় ধরনের দরপতনের প্রতিবাদে আজও বিক্ষোভ করেছেন ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা। ডিএসই’র সামনের রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় সোমবার থেকে লেনদেন বয়কট করতে সব বিনিয়োগকারীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে সার্ভারে লগইন না করার অনুরোধ জানান তারা।

 

পাঁচ হাজার ৩০৮ পয়েন্টে থাকা ডিএসই’র সাধারণ মূল্যসূচক ২৩১ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ৭৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ১৯৬ পয়েন্ট কমে চার হাজার ২৪৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই২০ সূচক ১১০ দশমিক ২৭ পয়েন্ট পড়ে তিন হাজার ৭৬৩ দশমিক ৮১ পয়েন্টে স্থির হয়েছে।

 

বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে ডিএসই’র সামনে অবস্থান নিয়ে বিনিয়োগকারীরা বরাবরের মতো অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ দাবি করেন। তারা ডিএসই’র সভাপতির বিরুদ্ধেও বিভিন্ন স্লোগান দেন। এক পর্যায়ে দুপুর আড়াইটার দিকে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দিলেও পরে আবার বিক্ষোভে অংশ নেন তার।

 

বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলে। এ সময় ডিএসই’র সামনের রাস্থায় যান চলাচল বন্ধ ছিল।

 

রোববার লেনদেন হওয়া ২৫১টি ইস্যুর (কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড) মধ্যে ২৩৭টির দরই কমেছে। এ ছাড়া সাতটির দর বেড়েছে ও পাঁচটির অপরিবর্তিত ছিল।

 

এক লাখ দুই হাজার ২১১ হাওলায় হাতবদল হয় চার কোটি ৮৪ লাখ ৫১ হাজার ৮৭৫টি শেয়ার ও ইউনিট। এগুলোর বাজারমূল্য ছিল ৩৩০ কোটি ৯৯ লাখ ৫৫ হাজার ৯৬ টাকা।

 

টাকার অংকে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ইস্যুগুলো হলো- বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, গ্রামীণফোন, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, মালেক স্পিনিং ও  ওয়ান ব্যাংক।

 

দর কমার তালিকায় শীর্ষে ছিল- শমরিতা হাসপাতাল, প্রাইম টেক্সটাইল, মেট্রো স্পিনিং, ফু-ওয়াং সিরামিক, মালেক স্পিনিং, ফাইন ফুডস, সমতা লেদার, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, অগ্নি সিস্টেম ও মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ।

 

দর বৃদ্ধির তালিকায় থাকা সাতটি ইস্যু হলো- মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, এল আর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ষষ্ঠ আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), পাওয়ার গ্রীড, আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

 

অপরিবর্তিত থাকা ইস্যুগুলো হলো- আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, এআইবিএল প্রথম ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ব্র্যাক ব্যাংক ২৫ কনভার্টিবল বন্ড, আইবিবিএল মুদারাবা পারপিচ্যুয়াল বন্ড, প্রাইম ফাইন্যান্স প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইএফআইএল ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও আইসিবি তৃতীয় এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

মূলধন বাড়াবে ইস্টার্ন হাউজিং ও এশিয়া প্যাসিফিক ইন্সুরেন্স

ঢাকা, অক্টোবর ২৬ (বিডিনিউজরুম ডটকম)- ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড ও এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্সুরেন্স তাদের অনুমোদিত মূলধন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।

বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ কোটি করবে।

এ জন্যে অতিরিক্ত সাধারণ সভা হবে ২৪ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবে। রেকর্ড ডেট ২ নভেম্বর। শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হবে ওই সভায়।

'এ' ক্যাটাগরির এই প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ বর্তমানে ৬২ কোটি ১০ লাখ টাকা। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারের পরিমাণ ৬২ লাখ ৫ হাজার ৬৮০।

এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্সুরেন্স তাদের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ কোটি করবে।

এজন্যে অতিরিক্ত সাধারণ সভা হবে ২৪ নভেম্বর সকাল ১১টায়, গুলশানের হোটেল ওয়াশিংটনে। রেকর্ড ডেট ২ নভেম্বর। ওই সভায় শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনেরও সিদ্ধান্ত নেবে এ কোম্পানি।

'এ' ক্যাটাগরির এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বর্তমানে ৪২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যে তাদের ৪২ লাখ ৩৫ হাজার শেয়ার রয়েছে।

ডিএসই: দরপতন চলছেই

ঢাকা, অক্টোবর ১৯ (বিডিনিউজরুম ডটকম)- পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পরও দরপতন দিয়ে সপ্তাহের চতুর্থ দিনের লেনদেন শুরু হয়েছে ঢাকার পুঁজিবাজারে।

দরপতনের প্রতিবাদের অন্যান্য দিনের মতো বোরবারও বিক্ষোভ করেছে ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা। এর ফলে মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক ভবন পর্যন্ত রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বুধবার লেনদেন শুরুর তিন ঘণ্টা পর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১২১ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট কমে হয় ৫ হাজার ১৮৬ দশমিক ০৯ পয়েন্ট।

ওই সময় পর্যন্ত লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫টির, কমেছে ২২৯টির। অপরিবর্তিত ছিল ৬টির দাম।

২টা ১ মিনিট পর্যন্ত হাতবদল হয়েছে ২১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার।

এর আগে লেনদেন শুরুর ১০ মিনিট পর ১১টা ১১ মিনিটে ডিএসই সূচক ১১৬ দশমিক ৭১ পয়েন্ট কমে হয় ৫ হাজার ১৯০ দশমিক ৭১ পয়েন্ট। ১১টা ৩৬ মিনিটে তা আরো কমে ৫ হাজার ১৫৭ দশমিক ২৪ পয়েন্ট হয়।

এক ঘণ্টা পর ১২টা ১ মিনিটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১৮৪ দশমিক ৪০ পয়েন্ট কমে হয় ৫ হাজার ১২৩ পয়েন্ট। এরপর সূচক কিছুটা বাড়লেও ২টা থেকে আবার পড়তে শুরু করে।

এদিকে দুপুর ১২টার দিকে ডিএসই ভবনের সাততলার সিড়িতে কেউ একজন একটি গেঞ্জিতে আগুন লাগিয়ে দিলে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। তবে সঙ্গে সঙ্গেই তা নিভিয়ে ফেলেন ডিএসইর কর্মচারীরা।

দরপতনের প্রতিবাদে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে ডিএসই ভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

চলতি সপ্তাহের প্রথম তিনদিনে সূচক কমেছে ২৬০ দশমিক ৯২ পয়েন্ট। এর আগের দু' সপ্তাহে গত দু সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক ৩৪১ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট কমে।

গত ডিসেম্বর থেকে দেশের পুঁজিবাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। চলতি বছরের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার পর বাজার কিছুটা ওঠে। কিন্তু গত জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে বাজার আবার নিুমুখী প্রবণতায় রয়েছে। ২৪ জুলই ডিএসই সাধারণ সূচক ছিল ৬ হাজার ৭১০ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট।

কিন্তু তিন মাসের ব্যবধানে প্রায় সূচক ১৪০০ পয়েন্ট কমে মঙ্গলবার ৫ হাজার ৩০৭ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট হয়।

চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার বেলা ১১টায় ডিএসইর সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করে ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা। সোমবার সকালে ডিএসই সামনে থেকে তাদের তুলে দেয় পুলিশ।

অনশনের মধ্যে রোববারও ডিএসইতে ব্যাপক দরপতন হয়। সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮১ দশমিক ৩১ পয়েন্ট কমে হয় ৫ হাজার ৩৮৭ পয়েন্ট।

বিনিয়োগকারীদের আন্দোলন ও সরকারের নানামুখী উদ্যোগের পর সোমবার ডিএসইর সাধারণ সূচক ৩৬ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বাড়লেও লেনদেন কমে প্রায় নয় মাস আগের অবস্থানে চলে যায়।

এই পরিস্থিতিতে সোমবার তিনটি প্রণোদনামূলক পদক্ষেপের বিষয়ে আদেশ জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আয়কর রেয়াত, মিউচুয়াল ফান্ডের ওপর আরোপিত কর মওকুফ এবং ব্রোকারেজ কমিশনের ওপর উৎসে আয়কর কমানোর কথা বলা হয় ওই আদেশে।

এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে ৫ সদস্যের একটি উপেদেষ্টা কমিটি করার ঘোষণা দেওয়া হয়। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের সহ-সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

এছাড়া মঙ্গলবার শেয়ার লেনদেন নিস্পত্তির সময় এক দিন কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি।

এরপরও বাজার পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মঙ্গলবার হতাশা প্রকাশ করে বলেন, বাজার কীভাবে ঠিক হবে তা তার জানা নেই।

দরপতন: মতিঝিলে রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ

 

ঢাকা, অক্টোবর ১৯ (বিডিনিউজরুম ডটকম)- পুঁজিবাজারে টানা দরপতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেছে বিনিয়োগকারীরা।

বুধবার লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টার মাথায় ১২টা ১ মিনিটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১৮৪ দশমিক ৪০ পয়েন্ট কমে হয় ৫ হাজার ১২৩ পয়েন্ট। এর পরপরই বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনের সড়ক বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করে।

এ সময় তারা ডিএসই কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় এবং দরপতনের প্রতিবাদ জানায়।

এর আগে লেনদেন শুরুর ১০ মিনিট পর ১১টা ১১ মিনিটে ডিএসই সূচক ১১৬ দশমিক ৭১ পয়েন্ট কমে হয় ৫ হাজার ১৯০ দশমিক ৭১ পয়েন্ট। ১১টা ৩৬ মিনিতো আরো কমে ৫ হাজার ১৫৭ দশমিক ২৪ পয়েন্ট হয়।

চলতি সপ্তাহের প্রথম তিনদিনে সূচক কমেছে ২৬০ দশমিক ৯২ পয়েন্ট। এর আগের দু' সপ্তাহে গত দু সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক ৩৪১ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট কমে।

গত ডিসেম্বর থেকে দেশের পুঁজিবাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। চলতি বছরের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার পর বাজার কিছুটা ওঠে। কিন্তু গত জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে বাজার আবার নিুমুখী প্রবণতায় রয়েছে। ২৪ জুলই ডিএসই সাধারণ সূচক ছিল ৬ হাজার ৭১০ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট।

কিন্তু তিন মাসের ব্যবধানে প্রায় সূচক ১৪০০ পয়েন্ট কমে মঙ্গলবার ৫ হাজার ৩০৭ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট হয়।

চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার বেলা ১১টায় ডিএসইর সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করে ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা। সোমবার সকালে ডিএসই সামনে থেকে তাদের তুলে দেয় পুলিশ।

অনশনের মধ্যে রোববারও ডিএসইতে ব্যাপক দরপতন হয়। সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮১ দশমিক ৩১ পয়েন্ট কমে হয় ৫ হাজার ৩৮৭ পয়েন্ট।

বিনিয়োগকারীদের আন্দোলন ও সরকারের নানামুখী উদ্যোগের পর সোমবার ডিএসইর সাধারণ সূচক ৩৬ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বাড়লেও লেনদেন কমে প্রায় নয় মাস আগের অবস্থানে চলে যায়।

এই পরিস্থিতিতে সোমবার তিনটি প্রণোদনামূলক পদক্ষেপের বিষয়ে আদেশ জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আয়কর রেয়াত, মিউচুয়াল ফান্ডের ওপর আরোপিত কর মওকুফ এবং ব্রোকারেজ কমিশনের ওপর উৎসে আয়কর কমানোর কথা বলা হয় ওই আদেশে।

এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে ৫ সদস্যের একটি উপেদেষ্টা কমিটি করার ঘোষণা দেওয়া হয়। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের সহ-সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

এছাড়া মঙ্গলবার শেয়ার লেনদেন নিস্পত্তির সময় এক দিন কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি।

এরপরও বাজার পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মঙ্গলবার হতাশা প্রকাশ করে বলেন, বাজার কীভাবে ঠিক হবে তা তার জানা নেই।

বাজার কীভাবে ঠিক হবে জানেন না অর্থমন্ত্রী

 

ঢাকা, অক্টোবর ১৮ (বিডিনিউজরুম ডটকম)- পুঁজিবাজারের অস্থিরতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, এ পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব তা তিনি জানেন না।

মঙ্গলবার দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "প্রাইমারি বাজার নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা সেকেন্ডারি বাজার নিয়ে।"

"সেকেন্ডারি বাজার ঠিক করার জন্য নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এর পরেও বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে না। কীভাবে ঠিক হবে আমি জানি না," যোগ করেন মুহিত।

টানা দরপতনের প্রতিবাদে ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা গত রোববার অনশন শুরু করলে সোমবার আয়কর রেয়াতের মতো প্রণোদনা ঘোষণাসহ একটি উপদেষ্টা কমিটি করার কথা জানানো হয় সরকারের পক্ষ থেকে।

অর্থমন্ত্রী ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দীন, এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এবং মেজর জেনারেল পর্যায়ের একজন সেনা কর্মকর্তা এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকছেন।

এ বিষয়ে মুহিত বলেন, "কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে চেয়ারম্যান করা হবে। এই কমিটির সদস্যদের কাছ থেকে আমি আগেও ইনফরমাল পরামর্শ নিতাম। এখন ফরমাল পরামর্শ নেব।"

বাজারে তারল্য বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকেও। গভর্নর আতিউর রহমান সোমবার অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের সহ-সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করে পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

গত দু সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৩৪১ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট কমার পর রোববারও ব্যাপক দরপতন হয়। সোমবার সূচক বাড়লেও লেনদেন হয় নয় মাসের মধ্যে সবচে কম। আর মঙ্গলবার লেনদেন শেষে সূচক ১১৬ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট কমে হয়েছে ৫ হাজার ৩০৭ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট।

By A Web Design