ভোটার তালিকা হালনাগাদ মার্চে
২৮ জানুয়ারি: দেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম আগামী মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে। চারটি পর্যায়ে বছরব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে। বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে কমিশন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়ন ও ভোটার তালিকা তৈরি প্রকল্পের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ১০ মার্চ থেকে কাজ শুরু করার কথা রয়েছে।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে। ২০০৯ সালে সর্বশেষ ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়। গত দুই বছরে এই তালিকা হালনাগাদ হয়নি। ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী প্রতিবছরের দুই জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে তালিকা হালনাগাদ করার বাধ্যবাধকতা আছে।
নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কাজ শুরু হবে। এখন থেকে কমিশনের সুবিধাজনক সময়ে তালিকা হালনাগাদ করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে আইন সংশোধন করার উদ্যোগ চলছে।
বর্তমান ভোটার তালিকায় প্রায় সাড়ে আট কোটি ভোটার আছে। মার্চ থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া সংশোধন, স্থানান্তর, মৃত ব্যক্তিদের বাদ দেয়ার কাজও একই সঙ্গে চলবে।
বৈঠকে উপস্থিত প্রকল্পের এক কর্মকর্তা জানান, ইতিমধ্যে দেশের চারটি স্থানে হালনাগাদের জন্য পাইলট প্রকল্প শেষ হয়েছে। সেখানকার সুবিধা-অসুবিধা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী দেশব্যাপী কাজ শুরু করা হবে।
২০০৭ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরি ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়ন কার্যক্রম শুরু করে বর্তমান নির্বাচন কমিশন। ২০০৮ সালের নভেম্বরে ভোটার তালিকার কাজ শেষ হয়। দেশে ও আন্তর্জাতিক মহলে এই ভোটার তালিকা প্রায় শতভাগ নির্ভুল বলে মত দেয়া হয়।
নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন বলেন, এই কমিশন প্রাথমিক কাজ শুরু করল। পরবর্তী কমিশন এসে মাঠ পর্যায়ের হালনাগাদ কাজ করবে। তিনি বলেন, দেশব্যাপী কমিশন সার্ভার স্টেশন বসানোর কাজ করছে। এটা শেষ হলে যেকোনো সময়, যে কেউ তালিকায় নাম ওঠাতে পারবেন। হালনাগাদ একটা চলমান প্রক্রিয়া।

