সিলেট
হবিগঞ্জে কথিত কষ্টি-মূর্তি বিক্রি: আটক ৩
হবিগঞ্জ, ১৯ অক্টোবর: হবিগঞ্জ শহরের একটি হোটেল থেকে মঙ্গলবার রাতে কষ্টি পাথরের কথিত মূর্তি বিক্রির সময় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৩ লাখ টাকা লেখা ব্যাংকের একটি চেকের পাতা জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হল, হবিগঞ্জ শহরের ইনাতাবাদ এলাকার আব্দুল হেকিমের পুত্র আব্দুল গফুর, বাহুবল উপজেলার স্বস্থিপুর গ্রামের আজিজুর রহমানের পুত্র রাজু মিয়া ও মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার বালিগাঁও গ্রামের আব্দুল মোবারক সোনা মিয়ার পুত্র হুসাইন আলী অপু।
গ্রেফতারকৃতদের বুধবার সকালে হবিগঞ্জ সদর থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
র্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত তিন ব্যক্তি একটি পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় নকল ম্যাগনেট মূর্তি সাজিয়ে জেলার বাহুবল উপজেলার চন্দ্রছড়ি গ্রামের আব্দুল আজিজের পুত্র আব্দুল ওয়াহেদের কাছে এক কোটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতে চায়।
মঙ্গলবার রাত নয়টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের ইনচার্জ কাওসার মাহমুদের নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল হবিগঞ্জ শহরের হোটেল আমদে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে।
র্যাব সদস্যরা তাদের কাছে জানতে চায় কথিত মূর্তিটি কোথায় আছে? জবাবে আব্দুল গফুর জানায় তার ঘরের আলমারিতে আছে। সেই মোতাবেক তাদেরকে নিয়ে ইনাতাবাদ এলাকার আব্দুর গফুরের বাসায় যায় র্যাব।
গফুরের বাসার একটি আলমারি থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় কথিত কষ্টি পাথর সদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, পলিথিনে মোড়ানো বস্ত্তটি খুলে এর ভিতরে কয়েকটি ইটের টুকরা পাওয়া যায়। গ্রেফতারকৃতদের রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।
র্যাব-৯ এর শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের ইনচার্জ কাওসার মাহমুদ জানান, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে ও ভিকটিম ওয়াহেদ মিয়া র্যাব হেফাজতে রয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা করা হয়েছে।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার এসআই রাজু বড়ুয়া বার্তা২৪ ডটনেট-কে জানান বুধবার সকালে গ্রেফতারকৃদের র্যাব সদর থানায় হস্তান্তর করেছে।


সিলেট