রাজশাহী
রাজশাহীতে আগামী বছরই বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র
২০ মে: আগামী বছরের মধ্যেই রাজশাহীতে পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপনের আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক ম. হামিদ। শুক্রবার দুপুরে তিনি রাজশাহী সার্কিট হাউসে সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। এর আগে সকালে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের রাজশাহী উপ-কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন।
তিনি বলেন, ‘এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি। এছাড়া রাজশাহীবাসীরও দীর্ঘদিনের দাবি। রাজশাহীতে একটি পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হলে বিটিভির সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হবে।’মতবিনিময়কালে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ টেলিভিশন নতুনভাবে কাজের গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে’
এসময় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘রাজশাহী টেলিভিশন উপ-কেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র করার দাবি দীর্ঘদিনের। আমরা সম্মিলিতভাবে বছরের পর বছর ধরে এ নয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি।’
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী এনামুল হক, জেলা প্রশাসক আবদুল হান্নান, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রামাণিক, নওশের আলী, ড. তসিকুল ইসলাম রাজা, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি হাসান মিল্লাত প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকালে ‘রাজশাহী সাব টেলিভিশন’ কেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র করার লক্ষ্যে ২০ সদস্যের একটি দল নিয়ে ম. হামিদ রাজশাহী আসেন। প্রতিনিধি দলটি সিটি কর্পোরেশনের অধীনে নির্মিত তিনটি ভবনসহ রাজশাহী টেলিভিশন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
তাপদাহে রাজশাহীতে জনজীবন স্থবির

১৬ মে: রাজশাহীতে অব্যাহত তাপ প্রবাহে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অচল হয়ে পড়েছে। প্রায় বৃষ্টিহীন বৈশাখ শেষে মঙ্গলবার জ্যৈষ্ঠও শুরু হয়েছে রুক্ষ মেজাজেই।প্রখর রোদে পুড়ছে পথঘাট। বাইরে বের হলে মনে হচ্ছে আগুনের হলকা এসে ঝাপটা দিচ্ছে চোখেমুখে। দুর্বিষহ গরমে মানুষের পাশাপাশি পশু-পাখিরাও নাকাল। এরমধ্যেই আবার প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে।
সূর্যোদয়ের পর থেকে প্রচণ্ড গরমে কাহিল হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গরমের তীব্রতাও। রাতে কেউ বাড়ির ছাদে, কেউ মেঝেতে কেউ আবার গাছ তলায় চলে যাচ্ছেন। কিন্তু কোথাও স্বস্তি নেই। সারা দিনের রোদে সবকিছুই তেঁতে থাকছে।
চলমান তাপদাহে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। কিছুক্ষণ কাজ করার পর তারা বিশ্রাম নিচ্ছেন ছায়ায় বসে। তারপর আবার কাজ করছেন। এভাবে কাজ করায় একদিকে যেমন দেরি হচ্ছে, তেমনি পারিশ্রমিকও কমে যাচ্ছে।
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক শফিক জানান, রোগীর চাপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এর মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। হৃদরোগ, ডায়রিয়া, হিটস্ট্রোকসহ বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে মানুষ।
এদিকে, রাজশাহী আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষক দেবল কুমার মিত্র জানান, কয়েক দিন ধরেই রাজশাহীতে তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছিল। কিন্তু গত সোমবার এ রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা ওঠে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটিই ছিল চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিনের চেয়ে মাত্র দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরও জানান, তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় রাজশাহী অঞ্চলে তীব্র গরম অনুভুত হচ্ছে। ভারি বৃষ্টিপাত না হলে গরম কমার সম্ভবনা নেই।
প্রসঙ্গত, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতেই ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রাজশাহী সড়ক ভবনে তালা: ঠিকাদারদের বিক্ষোভ
৪ মে: বকেয়া বিলের দাবিতে রাজশাহী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ঠিকাদাররা বুধবার দুপুর ২টার দিকে রাজশাহী সড়ক ভবনে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। পরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা বকেয়া বিলের টাকা না পাওয়া পর্যন্ত তালা না খোলার ঘোষণা দেন এবং সপ্তাহের মধ্যে বিল পরিশোধ না করা হলে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্দে মামালা করারও হুমকি দেন।
দুপুরে তারা ভেতরে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে তাদের কার্যালয় থেকে বের করে দিয়ে তালা লাগিয়ে দেন। এ সময় সব কর্মচারীকেও কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়।
পরে সড়ক ভবনের চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী জোনের ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- ঠিকাদার শাহজাহান আলী। এতে বলা হয়, রাজশাহী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জরুরি পুনর্বাসন প্রকল্পে রাজশাহী জোনে ১৪৬ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। এর ৮০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এজন্য মোট পাওনা হয়েছে ১৩৩ কোটি টাকা। এর বিপরীতে পাওয়া গেছে মাত্র ১৩ কোটি টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, রাজশাহী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর জেলা সড়কের জন্য ২৩০ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করে। এর শতভাগ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। অথচ এর বিপরীতে মাত্র ১৬ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। ২০১১ সালের মার্চ মাসে ঠিকাদাররা তাদের কাজের বিল জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে নির্মাণ সামগ্রীর দামও বেড়েছে।
এর পরেও উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে তারা ব্যাংক ঋণ নিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে পাওনাদার ও ব্যাংক ঋণের সুদ বোঝা মাথায় করে পরিবার নিয়ে তারা পথে বসার উপক্রম হয়েছেন।
একটি বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, যোগাযোগমন্ত্রী সারা দেশের পুনর্বাসন প্রকল্পের জন্য ৫৪০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিলেও তা অন্যখানে স্থানান্তর করার ষড়যন্ত্র চলছে।
রাজশাহীতে বসছে আরপিএল ক্রিকেট আসর
১০ মে: অচিরেই রাজশাহী প্রিমিয়ার লিগ (আরপিএল) শুরু হতে যাচ্ছে। বিপিএল-এ আশানুরূপ সাড়া পাওয়ার পর এ লিগের আয়োজন করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুন মাসেই রাজশাহীর মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে জমকালো এ ক্রিকেট আসর।
আরপিএল আয়োজনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া সংগঠকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে মত বিনিময় করেছেন।
সুষ্ঠুভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জমান লিটনকে সভাপতি এবং বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহম্মেদ শামসুল হুদা কিসলুকে সদস্য সচিব করে একটি উচ্চ পর্যায়ের সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ সাংগঠনিক কমিটিতে বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক, ডিআইজি, র্যাব অধিনায়ক, পুলিশ সুপার, রাজশাহীর সব সংসদ সদস্য, ২ জন পৌর মেয়র, জেলা পরিষদের প্রশাসক, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৩জন কাউন্সিলর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, তথ্য উপ-পরিচালক, ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক, মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ এবং হোটেল মালিক সমিতির সভাপতিকে সদস্য করা হয়েছে।
কমিটির সদস্য সচিব, রাজশাহী বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহম্মেদ শামসুল হুদা কিসলু জানান, জুন মাসে আরপিএল অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ফ্রেঞ্চাইজির মাধ্যমে রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগের অধীন ১৬টি জেলার ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে পাঁচটি টিম গঠন করা হবে। প্রতিটি টিমে বিভাগের ৭ জন খেলোয়াড় থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। টিমের বাকী সদস্য হিসেবে বিদেশি বা দেশের অন্য কোন খেলোয়াড়কে নেওয়া যাবে।
ইমতিয়াজ আহম্মেদ শামসুল হুদা কিসলু বলেন, বর্তমানে রাজশাহীর খেলোয়াড়রা দেশের ক্রিকেটে বড় ভূমিকা রাখছে। এ আয়োজনের মাধ্যমে আরও নতুন নতুন খেলোয়াড় খুঁজে বের করা সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এ ক্রীড়া সংগঠক।
রাজশাহীতে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ১৫

৩০ এপ্রিল: রাজশাহীতে হরতালের দ্বিতীয় দিন সোমবার সকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপির কমপক্ষে ১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মহানগরীর রাজারহাতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া রবিবার রাতে ও সোমবার সকালে ২০ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
সংঘর্ষের ব্যাপারে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রাজারহাতা এলাকার লোকনাথ স্কুলের পাশ থেকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বে দলের কর্মীরা হরতালের সমর্থনে একটি মিছিল বের করেন।
মিছিলটি কিছুদূর এগিয়ে সিটি কলেজের সামনে এলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় বাধা উপেক্ষা করে তারা মিছিল নিয়ে সামনে যেতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
নেতাকর্মীরা এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে। জবাবে পুলিশ ছোড়ে দুই রাউন্ড টিয়ার সেল। এতে কমপক্ষে ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন।
এ পুলিশি হামলার প্রতিবাদে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু রাস্তায় শুয়ে পড়েন। পরে দলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীও তার সঙ্গে যোগ দেন।
এদিকে, রবিবার রাতে মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৩ জন এবং সকালে মিছিল থেকে সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সকালে সংঘর্ষের পর থেকে মহানগরী জুড়ে পুলিশ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা বর্তমানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
অপরদিকে, রাজশাহী রেল স্টেশন থেকে সকালে ঢাকাগামী সিল্কসিটি ও খুলনাগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন রুটের আন্তঃনগর ট্রেন যথা সময়ে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।
এছাড়া হরতালে মহানগরীতে সকাল থেকে কোনো ভারী যানবহন চলাচল না করলেও রিকশা-ভ্যান, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাসহ হালকা যানবাহন চলছে স্বাভাবিকভাবে।
পুলিশের বিশেষ ব্যবস্থা থাকলেও বিআরটিসির কোনো বাস চলাচল করছে না। হরতালের কারণে সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে মহানগরীর বেশিরভাগ এলাকার ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও কার্যত সকাল থেকে সেখানে বড় ধরনের কোনো লেনদেন হচ্ছে না।
নগর ভবন, রাজশাহী রেল স্টেশন, বাস টার্মিনাল, চেম্বার ও রেলভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া মহানগরীতে নিয়মিত টহল দিচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সদস্যরা।


রাজশাহী